মাথা ব্যাথা ও কমানোর উপায় টিপস্ ২০২৩
মাথা ব্যাথা মানুষের একটি গুরুত্বপূর্ণ রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বর্তমানে সব বয়সের মানুষেরই কম বেশি মাথা ব্যাথা হয়ে থাকে। দিনে রাতের যেকোনে সমায়ে কিন্তু আপনার এই মাথা বা মাথার যন্ত্রণা করতে পারে।
মাথা ব্যাথার কারন সমূহ ও পরামর্শঃ
অনেক কারনে আপনার মাথা ব্যাথা হতে পারে। তার মধ্যবিশেষ বিশেষ কারন সমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হলো এবং সাথে পরামর্শ দেওয়া হল।
১. অতিরিক্ত টেনশান: মাথা ব্যাথা করার পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত মানসিক টেনশান। এই অতিরিক্ত টেনশানের কারণে আপনার হাইপ্রেসার হতে পারে বা প্রেসার বেড়ে যেতে পারে।
পরামর্শ-তাই নিয়মিত হারে মাথা ব্যাথা করতে থাকলে এখনই আপনার প্রেসার চেক করুন। অতিরিক্ত প্রেসার পাওয়া গেলে প্রেসার কমানোর জন্য ডাক্তারের পরামর্শে ওষুধ গ্রহন করুন।
২. ঘুম না হওয়া বা অনিদ্রা: শারীরিক ও মানসিক সুস্থ্যতার জন্য নিয়মিত ঘুম অপরিহার্য। আর এই ঘুম যদি আপনার ঠিকমত না হয় তবে। আপনার মাথা ব্যাথা করতে পারে এমনকি ভিষণ ব্যাথা করতে পারে।
পরামর্শ-তাই সঠিক সময়ে ঘুমানোর চেষ্টা করুন। ঘুম যদি না আসতে চায় তবে ঘুমানোর আগে আপনার শরীরটা ধৌত করে নিতে পারেন বা গোসল করে নিতে পারেন। এত করে আপনার ঘুম সহজে আসতে পারে। ঘুম যদি একে বারেই না আসে তবে সিনারন জাতীয় ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে সেবন করতে পারেন।
৩. চোখের সমস্যা: মাথা ব্যাথার একটি অন্যতম প্রধান কারণ হলো চোখের সমস্যা।
পরামর্শ- ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
৪. জার্নি: জর্নি জনিত কারণে চোখে বাতাস লাগার কারণেও ব্যাথা করতে পারে। চোখের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শিরা ছিরে যেতে পারে।
পরামর্শ- চশমা ব্যবহার করতে পারেন।
৫. রোদ লাগা: মাথায় অতিরিক্ত রোদ লাগার ফলেও ব্যাথা করতে পারে এমনকি হিট স্টোক পর্যন্ত হতে পারে।
পরামর্শ- রোদ প্রোটেক্ট গুডস ব্যবহার করতে পারেন।
৬. লেখাপাড়া: হাঁ, অতিরিক্ত পড়ার কারণেও আপনার মাথা ব্যাথা করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনার চোখের প্রবলেমের কারণে এই ব্যাথা করতে পারে।
পরামর্শ-সেক্ষেত্রে আপনি চোখের জন্য চিকিৎসা করতে পারেন। চোখের সমস্যা থাকলে ১০ মিনিট পরপর চোখ অন্যদিকে বা চারদিক দেখে বা ঘুরিয়ে নিন।
৭. কম্পিউটার মোবাইল: হাঁ অতিরিক্ত কম্পিউটার বা মোবাইল স্কিনের আলো আপনার মাথা ব্যাথার কারণ হতে পারে।
পরামর্শ- লাইট প্রটেক্ট চশমা ব্যবহার করতে পারেন। ১০ মিনিট পরপর অন্যদিকে তাকান। ১০ ঘন্টা পরপর ১০ মিনিট বিরতি নিন।
৮. গ্যাসের প্রবলেম: আপনার পেটে গ্যাসের সমস্যা থাকলেও মাথা ব্যাথা করতে পারে। গ্যাস অনেক সময় মাথায় প্রবেশ করে মাথাকে গরম করে তুলতে পারে।
পরামর্শ- নিয়মিত ব্যায়াম, হাঁটাচলা করুন, প্রয়োজনে গ্যাসের ওষুধ নিন।
৯. পানি পান না করা: পানি পান করা করলেও আপনার শরীরে ডিহাইডেডের কারণে মাথা ব্যাথা করতে পারে।
পরামর্শ- পানি পান করুন। সময় নিয়ে গোসল করুন।
১০. আমাশয় ও ডায়বেটিক, এলার্জীঃ ডায়বেটিক ও আমাশয়, এলার্জী জাতীয় রোগ থাকলেও মাথা ব্যাথা হয়।
পরামর্শ-রোগের চিকিৎসা নিন।
১১. পেটে টিউমার: পেটে টিউমার বা সিস্ট থাকলেও মাথা ব্যাথা হতে পারে। বমি হতে পারে।
পরামর্শ- আল্টাসনোগ্রাফি করে ওষুধ খেতে পারেন।
১২. মাথায় টিউমার: মাথায় ইনফেকশান বা টিউমার বা ক্যানসার হলে মাথা ব্যাথা হয়।
পরামর্শ- মাথায় সিটি স্ক্যান করে নিশ্চিত হতে পারেন। সে মোতাবেক চিকিৎসা নিতে পারেন।
পোস্টটি শেয়ার করুন।

.webp)